সোমবার   ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১২ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১

পাবনার খবর
১৮

পাবনায় জুট-তুলা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

পাবনার খবর

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

পাবনা পৌরসদরের দক্ষিন রাঘবপুর আরিফপুর এলাকার রশিদ ও আশরাফ আলীর জুট-তুলার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। (১২ ফেব্রুয়ারী) বুধবার দুপুরে বৈদ্যুতিক শট সার্কিটের মাধ্য এই অগ্নিকান্ডের ঘটনার সূত্রপাত হয়।

পাবনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর দুটি ইউনিট দীর্ঘ তিনঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে প্রাথমিক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান জানা না গেলেও অগ্নিকান্ডের ঘটনায় জুটের তুলা তৈরির কারখানা ও জুটের গোডাউনে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

কারখানার মালিক আব্দুল রশিদের ছেলে আশরাফ আলী বলেন, পৈত্রিক ভাবে দীর্ঘ ধরে আমরা এই খানে জুট থেকে তুলা তৈরির কারখানা স্থাপন করেছি। পূর্বে আমাদের এখানে অগ্নিকান্ডের ঘটনা হয়েছে তবে সেটি আমরা নিজেরা নিয়ন্ত্রণ করেছি। তবে এবারের বিষয়টি একটু আলাদা। আগুনের তীব্রতা একটু বেশি মাত্রায় ছিলো। ফায়ার সার্ভিস না আসলে কারখানায় কিছুই থাকতো না। ক্ষতির পরিমান ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকার মত হবে। তবে ইনসুরেন্স করা নাই আমার কারখানার। ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে অনেক সময় লাগবে।

পাবনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের এর সিনিয়র অফিসার শেখ মোহম্মদ সাহাবুল ইসলাম জানান, বৈদ্যুতিক শট সার্কিটের কারনে এই তুলা ও জুটের কারখানায় অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে। ঘটনার শোনার সাথে সাথে আমাদের দুটি ইউনিট নিয়ে এখানে চলে আসি। প্রাথমিক ভাবে আমাদের রিজার্ভে যতটুকু পানি ছিলো সেটি আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার চেস্টা করি। জুট ও তুলার কারনে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পরে। পাশের পুকুর থেকে পানির ব্যবস্থ্যা করে প্রায় তিনঘন্টা সময়ের ব্যবধানে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে প্রাথমিক ভাবে এই কারখানার ক্ষতির পরিমান লক্ষাধিক টাকার মত হবে। তবে কারখানা স্থাপনের নিয়ম অনুযায়ী এখানে কোন ধরনের আগুন নির্বাপক কোন ব্যবস্থা ছিলো না।

স্থানীয়রা নিজেরা প্রাথমিক চেষ্টা চালিয়ে ছিলো আগুন নেভানোর জন্য। আমরা জুট ও তুলার কারখানার অনুমোদনের কাগজ পত্র চাওয়া হয়েছে। নিয়ম বর্হিভুত ভাবে কারখানা স্থাপন করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স/সা

পাবনার খবর
এই বিভাগের আরো খবর